রঘু গাঁয়ের অতি সাধারণ এক হতদরিদ্র কৃষকের ছেলে।
তার বাবা অন্যের জমিতে কাজ করে অর্থ জোগান দেন। আর তা দিয়েই কোনোভাবে চলে তাদের ছোট্ট সংসার।
তার বাবা অন্যের জমিতে কাজ করে অর্থ জোগান দেন। আর তা দিয়েই কোনোভাবে চলে তাদের ছোট্ট সংসার।
গাঁয়ে তখন বেশ শীত পড়েছে, আর তার সঙ্গে দূরদূরান্ত থেকে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। তাদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে গেছে বিলের চারপাশ।
একদিন হলো কী, ওই গ্রামে কিছু শহুরে লোকের আগমন ঘটল। তাদের সঙ্গে ছিল লম্বা নলওয়ালা বন্দুক।
গ্রামের সবাই ছুটে এসেছে সেই বন্দুক দেখতে। রঘুও গেল বন্দুক দেখতে।
কিন্তু বন্দুক দেখে তার মাথায় দুশ্চিন্তা বিরাজ করতে লাগল, সে মনে মনে ভাবতে লাগল আমাদের গাঁয়ে এই লম্বা নলওয়ালা বন্দুক কী কাজে আসতে পারে?
আর এই শহুরে লোকগুলোই বা কেন এলো গ্রামে! তাদের নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে, কিন্তু এত চিন্তার পরেও তার মাথায় কোনো সমাধান এলো না।
পরদিন সকালের ঘটনা। সে খুব ভোরে লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে মাঠে গেল জমি চাষ করতে। এমন সময় রঘু একটা বিকট আওয়াজ শুনতে পেল। এদিকে ভয়ে গরুগুলো হাল ছেড়ে এদিকে-ওদিক ছুটতে শুরু করেছে।
এই কা- দেখে তার আর বুঝতে বাকি রইল না। সে ঢের বুঝতে পেল এ নিশ্চয়ই শহুরে বাবুদের কারসাজি। সে এও বুঝতে পারল শহুরে বাবুরা গাঁয়ে এসেছে অতিথি পাখি শিকার করবে বলে।
এই ভেবে সে দৌড়ে ছুটতে লাগল গ্রামের উত্তর পাশে বিলের ধারে। যেই ভাবা সেই কাজ, সেখানে গিয়ে সে দেখতে পেল শহুরে লোকগুলো একটি অতিথি পাখির দিকে বন্দুক তাক করে আছে। এ দৃশ্য দেখে সে দূর থেকে চিৎকার দিয়ে উঠল। চিৎকার শুনে লোকগুলো বন্দুক নামাল। রঘু তাদের বুঝিয়ে বলল_ দেখুন, পাখিগুলো অনেক দূর থেকে গাঁয়ে এসেছে একটু আরামের আশায়। আপনারা পাখিগুলোকে দয়া করে মারবেন না। ওরা আমাদের অতিথি, কিন্তু কে শোনে কার কথা। তারা তাদের মতো পাখি শিকার করেই চলেছে।
রঘু বুঝতে পারল_ না, এভাবে কাজ হবে না আমাকে অন্য কোনো উপায় বের করতে হবে। এই বলে সে দৌড়ে ছুটতে লাগল গাঁয়ের চেয়ারম্যান চাচার কাছে। সেখানে গিয়ে সে সব ঘটনা খুলে বলল।
তারপর চেয়ারম্যান চাচাসহ আরো কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি মিলে গেলেন শহুরে ছেলেদের কাছে। সেখান থেকে তাদের ধরে আনা হলো চেয়ারম্যান চাচার বাড়িতে। তাদের বিচার করার জন্য গাঁয়ের সবাই জড়ো হলো।
এমন সময় গাঁয়ের এক মুরবি্ব বলে উঠলেন_ দাঁড়ান! চেয়ারম্যান সাহেব! ছেলেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছে ওরা শিক্ষিত এবং ভদ্রসমাজের। ওদের বিষয়টা বুঝিয়ে বললেই ওরা নিশ্চয় বুঝতে পারবে।
তখন চেয়ারম্যান সাহেব তাদের বুঝিয়ে বললেন_ দেখ বাবারা! তোমরা ভুল করেছ তাই তোমাদের আমরা মাফ করে দিলাম। শোনো বাবারা! এই অতিথি পাখিরা আমাদের দেশে এসেছে অনেক দূরান্ত থেকে। তাদের এলাকায় এখন প্রচ- শীত। আর এই শীত থেকে রক্ষা পেতেই পাখিগুলো এসেছে আমাদের এলাকায়।
শহুরে বাবুরা তাদের ভুল বুঝতে পারল। তারা সবাই বলে উঠল, আমরা আর এ রকম ভুল কখনই করব না।
আসুন আমরা সবাই মিলে এই অতিথি পাখিদের সেবা করি।
তাদের যেন কেউ ক্ষতি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখি।
একদিন হলো কী, ওই গ্রামে কিছু শহুরে লোকের আগমন ঘটল। তাদের সঙ্গে ছিল লম্বা নলওয়ালা বন্দুক।
গ্রামের সবাই ছুটে এসেছে সেই বন্দুক দেখতে। রঘুও গেল বন্দুক দেখতে।
কিন্তু বন্দুক দেখে তার মাথায় দুশ্চিন্তা বিরাজ করতে লাগল, সে মনে মনে ভাবতে লাগল আমাদের গাঁয়ে এই লম্বা নলওয়ালা বন্দুক কী কাজে আসতে পারে?
আর এই শহুরে লোকগুলোই বা কেন এলো গ্রামে! তাদের নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে, কিন্তু এত চিন্তার পরেও তার মাথায় কোনো সমাধান এলো না।
পরদিন সকালের ঘটনা। সে খুব ভোরে লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে মাঠে গেল জমি চাষ করতে। এমন সময় রঘু একটা বিকট আওয়াজ শুনতে পেল। এদিকে ভয়ে গরুগুলো হাল ছেড়ে এদিকে-ওদিক ছুটতে শুরু করেছে।
এই কা- দেখে তার আর বুঝতে বাকি রইল না। সে ঢের বুঝতে পেল এ নিশ্চয়ই শহুরে বাবুদের কারসাজি। সে এও বুঝতে পারল শহুরে বাবুরা গাঁয়ে এসেছে অতিথি পাখি শিকার করবে বলে।
এই ভেবে সে দৌড়ে ছুটতে লাগল গ্রামের উত্তর পাশে বিলের ধারে। যেই ভাবা সেই কাজ, সেখানে গিয়ে সে দেখতে পেল শহুরে লোকগুলো একটি অতিথি পাখির দিকে বন্দুক তাক করে আছে। এ দৃশ্য দেখে সে দূর থেকে চিৎকার দিয়ে উঠল। চিৎকার শুনে লোকগুলো বন্দুক নামাল। রঘু তাদের বুঝিয়ে বলল_ দেখুন, পাখিগুলো অনেক দূর থেকে গাঁয়ে এসেছে একটু আরামের আশায়। আপনারা পাখিগুলোকে দয়া করে মারবেন না। ওরা আমাদের অতিথি, কিন্তু কে শোনে কার কথা। তারা তাদের মতো পাখি শিকার করেই চলেছে।
রঘু বুঝতে পারল_ না, এভাবে কাজ হবে না আমাকে অন্য কোনো উপায় বের করতে হবে। এই বলে সে দৌড়ে ছুটতে লাগল গাঁয়ের চেয়ারম্যান চাচার কাছে। সেখানে গিয়ে সে সব ঘটনা খুলে বলল।
তারপর চেয়ারম্যান চাচাসহ আরো কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি মিলে গেলেন শহুরে ছেলেদের কাছে। সেখান থেকে তাদের ধরে আনা হলো চেয়ারম্যান চাচার বাড়িতে। তাদের বিচার করার জন্য গাঁয়ের সবাই জড়ো হলো।
এমন সময় গাঁয়ের এক মুরবি্ব বলে উঠলেন_ দাঁড়ান! চেয়ারম্যান সাহেব! ছেলেগুলোকে দেখে মনে হচ্ছে ওরা শিক্ষিত এবং ভদ্রসমাজের। ওদের বিষয়টা বুঝিয়ে বললেই ওরা নিশ্চয় বুঝতে পারবে।
তখন চেয়ারম্যান সাহেব তাদের বুঝিয়ে বললেন_ দেখ বাবারা! তোমরা ভুল করেছ তাই তোমাদের আমরা মাফ করে দিলাম। শোনো বাবারা! এই অতিথি পাখিরা আমাদের দেশে এসেছে অনেক দূরান্ত থেকে। তাদের এলাকায় এখন প্রচ- শীত। আর এই শীত থেকে রক্ষা পেতেই পাখিগুলো এসেছে আমাদের এলাকায়।
শহুরে বাবুরা তাদের ভুল বুঝতে পারল। তারা সবাই বলে উঠল, আমরা আর এ রকম ভুল কখনই করব না।
আসুন আমরা সবাই মিলে এই অতিথি পাখিদের সেবা করি।
তাদের যেন কেউ ক্ষতি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখি।


0 comments: