শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৬

ফেসবুকের ভাল দিক অর্জন, মন্দ দিক বর্জন

মনিরুজ্জামান রাফি। সকলের উদ্যেশ্য

এই সময়ে মা-বাবা,ভাই বোনের সাথে থাকা খাওয়া বা বসবাস করার মতই আরেকটি জিনিসের উদ্ভব ঘটেছে।
আর তা হলো ফেসবুক, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এখনকার প্রত্যেকটি উন্নয়নশীল দেশের মানুষেরাই ফেসবুক চালায়।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী জানা যায় সারাবিশ্বে এর ১.৪৪ বিলিয়ন মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন  (৩১শে মার্চ, ২০১৫)(তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

আবার শুনেছি অনেকেই ফেইসবুককে তার জীবনের একটা অংশ বলে মনে করেন।

আমার বন্ধুদের মুখে শুনেছি,তারা ফেসবুক সম্পর্কে জানিয়েছে, আগে ছোটবেলা যেমন মা পাশে না থাকলে ঘুম আসতো না ঠিক তেমনি এখন ফেসবুক না থাকলে আমাদের চোখে ঘুম হয় না।

সেই আদ্যিকাল থেকেই মানুষ অাধুনিক যুগে পথ চলতে শুরু করেছে আগে মানুষ চিঠি লিখে, পায়ে হেটে বা ঘোড়ায় চড়ে দূরদূরান্তের লোকজনের সাথে যোগাযোগ রাখতো কিন্তু
এখনকার ডিজিটাল যুগে এসবের আর প্রয়োজন হয়না বললেই চলে।

এখন ডিজিটাল যুগে সকলের হাতে একটা মোবাইল ফোন না থাকলে তাকে এই যুগের কাছে বেমানান লাগে। 

আর তাই এই যুগের সাথে খাপ খাওয়াতেই সকলেই হাতে তুলে নিয়েছেন মোবাইল ফোন।

আর মোবাইল ফোন আছে মানেই তাতে থাকবে ইন্টারনেট কানেকশন,সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক ইত্যাদি।

আর তা দিয়েই মানুষ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আছে।
কেউ ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ বিদেশের খবর শুনছেন।

আর কেউবা ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে পরিবার বা বন্ধুদের খবর নিচ্ছেন।

অনেকেই আবার যোগাযোগের এই মাধ্যমটিকা অসামাজিক বলে চিহ্নিত করেছেন, এর প্রতিউত্তর আমার জানা মতে ফেসবুকে আসলে সামাজিক যোগাযোগের একটি অন্যতম মাধ্যম তবে সেখানে অসামাজিক কিছু মানুষের অনুপ্রবেশের ফলে তাতে সামাজিক, অসামাজিক বিষয়টা মিশে একাকার হয়ে গেছে।

কিন্তু তার মাঝেও অনেক কিছু শেখার আছে। অনেক জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিরা এখন ফেসবুকের মত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করছে তারা সেখানে লেখালেখি করছে আমাদের মত অনেকেই তা আবার অন্যদের সাথে ভাগও করছে আর এভাবেই এক পর্যায়ে লেখাগুলো আমাদের নিউজফিডে এসে আমাদের চোখে পড়ছে।

আর তাদের এই সব লেখাথেকেও আমরা পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শিখছি।

আর এজন্যই আমাদের সকলের উচিৎ ফেসবুকের ভাল দিকটি গ্রহণ করা এবং মন্দ দিকটি বর্জন করা।


SHARE THIS

Author:

0 comments: